পূর্ণেন্দু পত্রী

কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, শিশুসাহিত্য, সাহিত্য গবেষণা, চিত্র-পরিচালনা, প্রচ্ছদশিল্প।
কবিতা-একমুঠো রোদ,শব্দের বিছানা, তুমি এলে সূর্যোদয় হয়, আমাদের তুমুল হৈ-হল্লা, গভীর রাতের ট্রাঙ্ককল, আমিই কচ আমিই দেবযানী, কথোপকথন। উপন্যাস-দাঁড়ের ময়না, ভোমরাগুড়ি, মালতীমঙ্গল। গবেষণা-আদি পর্ব, বঙ্গভঙ্গ, কি করে কলকাতা হল, ছড়ায় মোড়া কলকাতা, কলকাতার রাজকাহিনী, এক যে ছিল কলকাতা। শিশুসাহিত্য-আলটুং ফালটুং, ম্যাকের বাবা খ্যাঁক, ইল্লীবিল্লী, দুষ্টুর রামায়ণ, জুনিয়র ব্যোমকেশ, জাম্বো দি জিনিয়াস। চলচ্চিত্র-স্বপ্ন নিয়ে,স্ত্রীর পত্র, ছেঁড়া তমসুক, অবনীন্দ্রনাথ,পটচিত্র,মালঞ্চ, কালীঘাট, গীতগোবিন্দম্, ছোটো বকুলপুরের যাত্রী, ক্ষীরের পুতুল (তথ্যচিত্র)
বিদ্যাসাগর পুরস্কার,বিদ্যাসাগর পুরস্কার
সাহিত্যিক পরিচিতি
পূর্ণেন্দুশেখর পত্রী একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, সাহিত্য গবেষক, কলকাতা গবেষক, চিত্র-পরিচালক ও প্রচ্ছদশিল্পী।
পূর্ণেন্দু পত্রীর জন্ম বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শ্যামপুরের নাকোলে। পিতা পুলিনবিহারী পত্রী, মা নির্মলা দেবী। ম্যাট্রিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পারিবারিক কলহের কারণে পৈতৃক ভিটা ছেড়ে চলে আসেন কলকাতায়। ১৯৪৯ সালে ইন্ডিয়ান আর্ট কলেজে ভর্তি হন বাণিজ্যিক শিল্পকলা বা কমার্শিয়াল আর্টের ছাত্র হিসেবে। যদিও নানা কারণে এই পাঠক্রম শেষ করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। ছেলেবেলায় বাগনানের বিশিষ্ট কমিউনিস্ট নেতা অমল গাঙ্গুলির সংস্পর্শে এসে কমিউনিস্ট পার্টির নানান সাংস্কৃতিক কাজকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন। কলকাতায় অভিভাবক কাকা নিকুঞ্জবিহারী পত্রীর চলচ্চিত্র পত্রিকা ‘চিত্রিতা’ ও সাহিত্যপত্র দীপালি-তে তার আঁকা ও লেখার সূচনা হয়। পঞ্চাশের দশকের শুরুতে কমিউনিস্ট পার্টির সক্রিয় সদস্য হয়ে পড়লে রাজনীতি ও সাহিত্যচর্চা উভয়েই একসঙ্গে চালাতে থাকেন।
সাহিত্য ও চিত্র-পরিচালনা ছাড়াও পূর্ণেন্দু পত্রীর অন্যতম পরিচয় প্রচ্ছদশিল্পী হিসেবে। বাংলা সাহিত্যের শতাধিক ধ্রুপদী গ্রন্থের প্রচ্ছদ অঙ্কন করেছিলেন তিনি। তার অঙ্কিত প্রচ্ছদচিত্রগুলি গুণমানে ও স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে বিশেষ স্বাতন্ত্র্যের দাবিদার।
