মাইকেল মধুসূদন দত্ত

নাটক, কবিতা, ইংরেজি কবিতা, অনুবাদ নাটক, প্রবন্ধ সাহিত্য, গীতিকাব্য, পএকাব্য,মহাকাব্য,
নাটক ও প্রহসন শর্মিষ্ঠা নাটক,একেই কি বলে সভ্যতা?,বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ, পদ্মাবতী নাটক,কৃষ্ণকুমারী নাটক,মায়া-কানন কাব্য / কাব্যের ধরন তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য :-আখ্যান কাব্য মেঘনাদবধ কাব্য :- মহাকাব্য ব্রজাঙ্গনা কাব্য :-গীতিকাব্য বীরাঙ্গনা কাব্য :-পএকাব্য চতুর্দশপদী কবিতাবলী অনুবাদ গ্রন্থ হেক্টর-বধ ইংরেজি রচনা-কালেক্টেড পোয়েমস দি অপ্সরি: আ স্টোরি ফ্রম হিন্দু মিথোলজি দ্য ক্যাপটিভ লেডি ভিশনস অফ দ্য পাস্ট কাব্যনাট্য রিজিয়া: ইমপ্রেস অফ ইন্ডে অনুবাদ নাটক রত্নাবলী শর্মিষ্ঠা নীল দর্পণ অর দি ইন্ডিগো প্ল্যান্টিং মিরর প্রবন্ধ সাহিত্য দি অ্যাংলো-স্যাক্সন অ্যান্ড দ্য হিন্দু অন পোয়েট্রি এটসেট্রা অ্যান এসে
তথ্য পাওয়া যায়নি
সাহিত্যিক পরিচিতি
মাইকেল মধুসূদন দত্ত (ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি এবং নাট্যকার ও প্রহসন রচয়িতা।তাকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব গণ্য করা হয়। ঐতিহ্যের অনুবর্তিতা অমান্য করে নব্যরীতি প্রবর্তনের কারণে তাকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবেও অভিহিত করা হয়। তিনি বাংলা সনেটের জনক।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ছিলেন বহু ভাষাবিদ। মাতৃভাষা ছাড়া তিনি আরো বারোটি ভাষা জানতেন। শিশু কালে গ্রামের টোল থেকে ফারসি ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে তার ভাষা শিক্ষার শুরু হয়। তিনি ইংরেজি ছাড়াও ল্যাটিন, গ্রিক, ফারসি, হিব্রু, তেলুগু, তামিল ইত্যাদি ভাষায় অনায়াসে কথা বলতে পারতেন। তিনি এমনকি ফারসি ও ইতালীয় ভাষায় কবিতাও লিখতে পারতেন
জন্ম
তিনি যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত হিন্দু কায়স্থ পরিবারে মধুসূদন দত্তের জন্ম হয়। তিনি ছিলেন রাজনারায়ণ দত্ত ও তার প্রথমা পত্নী জাহ্নবী দেবীর একমাত্র সন্তান। রাজনারায়ণ দত্ত ছিলেন কলকাতার সদর দেওয়ানি আদালতের এক খ্যাতনামা উকিল। মধুসূদনের যখন তেরো বছর বয়স, সেই সময় থেকেই তাকে কলকাতায় বসবাস করতে হয়।
শিক্ষাজীবন
মধুসূদনের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় তার মা জাহ্নবী দেবীর কাছে। সাগরদাঁড়ির পাশের গ্রামের শেখপুরা মসজিদের ইমাম মুফতি লুৎফুল হকের কাছে তার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয়। বিদ্বান ইমামের কাছে তিনি বাংলা, ফারসি ও আরবি পড়েছেন। এরপর হিন্দু কলেজে ভর্তি হন।
১৮৪৩ সালে মধুসূদন খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন। মধুসূদন পরিচিত হন “মাইকেল মধুসূদন দত্ত” নামে।
তার এই ধর্মান্তর সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। রাজনারায়ণ দত্ত তার বিধর্মী পুত্রকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করেন। খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের পর মধুসূদন শিবপুরের বিশপস কলেজে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যান। এখানে তিনি গ্রিক, লাতিন, সংস্কৃত প্রভৃতি ভাষা শিক্ষা করেন।
ভাগ্যান্বেষণে মাদ্রাজে বিশপস কলেজে অধ্যয়ন শেষ করে যখন কলকাতায় চাকরির চেষ্টা করে ব্যর্থ হন মধুসূদন। তখন তার সেই মাদ্রাজি বন্ধুদের সঙ্গে (অধুনা চেন্নাই) চলে যান মধুসূদন। কথিত আছে, আত্মীয়স্বজনের অজ্ঞাতসারে নিজের পাঠ্যপুস্তক বিক্রি করে সেই টাকায় মাদ্রাজ গিয়েছিলেন তিনি।
কবি ইংল্যান্ডে আইন বিষয়ে পড়ালেখা করতে গিয়েছিলেন, কিন্তু সেখানের আবহাওয়া এবং বর্ণবাদিতার কারণে বেশি দিন ইংল্যান্ডে থাকেন নি। তারপর তিনি ১৮৬০ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে চলে যান। কিন্তু তার আর্থিক অবস্থা ছিল খুব খারাপ। একমাত্র ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর জন্য তিনি তার আইন বিষয়ে পড়া শেষ করে ভারতে আসতে সক্ষম হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কখনোই কলকাতায় তার এই লেখাপড়াকে কাজে লাগান নি, উপরন্তু দরিদ্রতার জন্য মৃত্যুবরণ করেন।
