সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

সাহিত্যিক আইডি (ID): MGP1312
জন্ম:
৭ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪
মৃত্যু:
২৩ অক্টোবর ২০১২
উপাধি:
ছদ্মনাম:
নীললোহিত", "সনাতন পাঠক", "নীল উপাধ্যায়
সাহিত্যকর্মের শাখাসমূহ:
উপন্যাস, আত্মজীবনী, কবিতা, নাটক,
উপন্যাস, আত্মজীবনী, কবিতা, নাটক,
প্রকাশনাসমূহ:
ঐতিহাসিক উপন্যাস-সেই সময়,প্রথম আলো, পূর্ব-পশ্চিম, উপন্যাস -অরণ্যের দিনরাত্রি, কবি ও নর্তকী, সংসারে এক সন্ন্যাসী, বন্ধুবান্ধব, অমৃতের পুত্রকন্যা,বিজনে নিজের সঙ্গে কাব্যগ্রন্থ- সুন্দরের মন খারাপ মাধুর্যের জ্বর ভালোবাসা খণ্ডকাব্য নীরা, হারিয়ে যেও না আমি কিরকম ভাবে বেঁচে আছি নাটক-রাজা রাণী ও রাজসভায় মাধবী, স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতাজী ভ্রমণ কাহিনী- রাশিয়া ভ্রমণ, ছবির দেশে কবিতার দেশে। শিশুতোষ সাহিত্য- তিন নম্বর চোখ, আকাশ দস্যু, অন্ধকারে সবুজ আলো
ঐতিহাসিক উপন্যাস-সেই সময়,প্রথম আলো, পূর্ব-পশ্চিম, উপন্যাস -অরণ্যের দিনরাত্রি, কবি ও নর্তকী, সংসারে এক সন্ন্যাসী, বন্ধুবান্ধব, অমৃতের পুত্রকন্যা,বিজনে নিজের সঙ্গে কাব্যগ্রন্থ- সুন্দরের মন খারাপ মাধুর্যের জ্বর ভালোবাসা খণ্ডকাব্য নীরা, হারিয়ে যেও না আমি কিরকম ভাবে বেঁচে আছি নাটক-রাজা রাণী ও রাজসভায় মাধবী, স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতাজী ভ্রমণ কাহিনী- রাশিয়া ভ্রমণ, ছবির দেশে কবিতার দেশে। শিশুতোষ সাহিত্য- তিন নম্বর চোখ, আকাশ দস্যু, অন্ধকারে সবুজ আলো
পদক ও পুরস্কার:
আনন্দ পুরস্কার(১৯৭২ ও ১৯৮৯), সাহিত্য অকাদেমি(১৯৮৫),
আনন্দ পুরস্কার(১৯৭২ ও ১৯৮৯), সাহিত্য অকাদেমি(১৯৮৫),
সাহিত্যিক পরিচিতি
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বিশ শতকের শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রথিতযশা বাঙ্গালী সাহিত্যিক। ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুর পূর্ববর্তী চার দশক তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব হিসাবে সর্ববৈশ্বিক বাংলা ভাষার জনগোষ্ঠীর কাছে ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন। বাংলা ভাষায় এই সাহিত্যিক একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার, সম্পাদক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসাবে অজস্র স্মরণীয় রচনা উপহার দিয়েছেন। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ পরবর্তী পর্যায়ের অন্যতম প্রধান কবি। একই সঙ্গে তিনি আধুনিক ও রোমান্টিক। তার কবিতার বহু পঙ্ক্তি সাধারণ মানুষের মুখস্থ। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় “নীললোহিত”, “সনাতন পাঠক”, “নীল উপাধ্যায়” ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।
২০০২ সালে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কলকাতা শহরের শেরিফ নির্বাচিত হয়েছিলেন।
