অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর

চিত্রকর্ম, গ্রন্থ
চিত্রকর্ম- ওমর খৈয়াম (জাপানী রীতিতে আঁকা), শাহাজাদপুরের দৃশ্যাবলী, আরব্যপোন্যাসের গল্প, বসন্তের হিমালয়, কবিকঙ্কন চন্ডী, প্রত্যাবর্তন শেষযাত্রা, সাজাহান, কৃষ্ণলীলাবিষয়ক চিত্রাবলী, বজ্রমুকুট, ঋতুসংহার, বুদ্ধ, সুজাতা গ্রন্থ-শকুন্তলা (১৮৯৫), ক্ষীরের পুতুল (১৮৯৬), রাজ কাহিনী (১৯০৯) ভারত শিল্প (১৯০৯), ভূতপতরীর দেশ (১৯১৫), নালক (১৯১৬) বাংলার ব্রত (১৯১৯), পথে বিপথে (১৯১৯), খাজাঞ্চির খাতা (১৯২১) প্রিয় দর্শিকা (১৯২১), চিত্রাক্ষর (১৯২৯), বসন্তের হিমালয়, বাগেশ্বরী শিল্প প্রবন্ধাবলী (১৯২৯), বুড়ো আংলা (১৯৪১), ঘরোয়া(১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), জোড়াসাঁকোর ধারে (১৯৪৪),আপন কথা (১৯৪৬) সহজ চিত্র শিক্ষা (১৯৪৬), ভারত শিল্পের ষড়ঙ্গ (১৯৪৭), আলোর ফুলকি (১৯৪৭), ভারত শিল্পে মূর্তি (১৯৪৭),মাসি (১৯৫৪), একে তিন তিনে এক (১৯৫৪), শিল্পায়ন (১৯৫৫), মারুতির পুঁথি (১৯৫৬), রং বেরং (১৯৫৮)
তথ্য পাওয়া যায়নি
সাহিত্যিক পরিচিতি
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন চিত্রশিল্পী, সাহিত্যিক।
১৮৭৬ সালে প্রাতিষ্ঠানিক স্কুলে অবনীন্দ্রনাথের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু হয়। তারপর কিছুদিন তিনি সংস্কৃত কলেজে অধ্যয়ন করেন, কিন্তু এন্ট্রান্স পরীক্ষার পূর্বেই কলেজ ত্যাগ করেন (১৮৯০)। পরে তিনি নিজ চেষ্টায় ইংরেজি, ফরাসি, সংস্কৃত ও বাংলা ভাষা-সাহিত্য এবং সঙ্গীতে দক্ষতা অর্জন করেন।
ছবি আঁকার প্রতি অবনীন্দ্রনাথের আগ্রহ ছিল প্রবল। প্রথমে পাশ্চাত্য এবং পরে প্রাচ্য রীতিতে তিনি ছবি আঁকেন। ইতালিয়ান গিলার্ডি, ইংরেজ পামার, জাপানি টাইকান প্রমুখ চিত্রশিল্পীর নিকট তিনি চিত্রাঙ্কন বিষয়ে শিক্ষালাভ করেন। তবে ভারতীয় চিত্ররীতিতেই তিনি সমধিক স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন এবং তাঁর হাতেই ভারতীয় শিল্পকলা নতুন প্রাণ পায়।
১৮৯৬ সালে কোলকাতা আর্ট স্কুলের সহকারী অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন৷ ভারতীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম এই মর্যাদা লাভ করেন৷
সরকারের কাছ থেকে সি আই ই উপাধি লাভ করেন৷ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডক্টর অফ লিটারেচার ডিগ্রি প্রদান করে ১৯২১ সালে৷
১৯৪১ থেকে ১৯৪৫ পর্যন্ত শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর আচার্যরূপে দায়িত্ব পালন করেন৷
অবনীন্দ্রনাথের প্রথম প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল ‘নবযুগ’ পত্রে ১৩১১ শ্রাবণে, ‘নবদূর্ব্বা’ নামে৷ রানী বাগেশ্বরী অধ্যাপক থাকার সময় ১৯২১-১৯২৯ সালের মধ্যে যে ঊনত্রিশটি বক্তৃতা দিয়েছিলেন সেগুলো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৪১ সালে ‘বাগেশ্বরীশিল্প প্রবন্ধাবলী’ নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়৷ বাংলা ভাষায় লিখিত ভারতীয় নন্দন তত্ত্বের একটি আকর গ্রন্থ হিসাবে যা বিবেচিত হয়৷ চিত্রকলায় ধারাবাহিকতায় লেখালেখির জগতেও আপন ঐতিহ্যের অনুরাগী ছিলেন অবনীন্দ্রনাথ৷ তিনি বেশ কিছু যাত্রাপালা ও পুথি রচনা করেন৷ যার মধ্যে ‘অরণ্যকান্ত পালা’ কঞ্জুশের পালা, কাক ও পানির পালা, ঋষিযাত্রা, মারুতির পুঁথি, চাইবুড়োর পুঁথি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য৷
