রফিক আজাদ

কবিতা
অসম্ভবের পায়ে, সীমাবদ্ধ জলে` সীমিত সবুজে, চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া, প্রিয় শাড়িগুলো, এক জীবনে, পরিকীর্ণ পানশালায় আমার স্বদেশ, পাগলা গারদ থেকে প্রেমিকার চিঠি, প্রেমের কবিতাসমগ্র,প্রেমের কবিতাসমগ্র, হাতুড়ির নিচে জীবন, সশস্ত্র সুন্দর, বর্ষণে আনন্দে যাও মানুষের কাছে, কোনো খেদ নেই, হৃদয়ের কী বা দোষ
হুমায়ুন কবির স্মৃতি (লেখক শিবির) পুরস্কার (১৯৭৭), কবিতালাপ পুরস্কার (১৯৭৯), বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮১), আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮১), ব্যাংক পুরস্কার (১৯৮২), সুহৃদ সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৯), কবি আহসান হাবীব পুরস্কার (১৯৯১), কবি হাসান হাফিজুর রহমান পুরস্কার (১৯৯৬), বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা (১৯৯৭), একুশে পদক (২০১৩)
সাহিত্যিক পরিচিতি
জন্ম
রফিক আজাদ ১৯৪১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার গুণগ্রামের এক অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা সলিম উদ্দিন খান ছিলেন একজন প্রকৃত সমাজসেবক এবং মা রাবেয়া খান ছিলেন আদর্শ গৃহিণী।
শিক্ষাজীবন
১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র রফিক ভাষা শহিদদের স্মরণে বাবা-মায়ের কঠিন শাসন অস্বীকার করে খালি পায়ে মিছিল করেন। ভাষার প্রতি এই ভালোবাসা পরবর্তী জীবনে তাকে তৈরি করেছিল একজন কবি হিসেবে, আদর্শ মানুষ হিসেবে। তাঁর বাড়ীর পাশেই ছিল, নিম্নশ্রেণির হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত,তারা ছিল কবির ছোটবেলার বন্ধু। তিনি লাঠি খেলাও শিখেছিলেন।
কর্মজীবন
তিনি টাঙ্গাইলের মওলানা মুহম্মদ আলী কলেজের বাংলার লেকচারার ছিলেন। কাজ করেছেন বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন, উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রে।এছাড়াও, ১৯৭২ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমির মাসিক সাহিত্য পত্রিকা উত্তরাধিকার এর সম্পাদক ছিলেন।
রফিক আজাদ ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
