শক্তি চট্টোপাধ্যায়

কবিতা, উপন্যাস ও অনুবাদ
কবিতা-হে প্রেম হে নৈঃশব্দ্য, যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো, ধর্মে আছো জিরাফেও আছো, সোনার মাছি খুন করেছি, পাড়ের কাঁথা মাটির বাড়ি, সুন্দর এখানে একা নয়, ভালোবেসে ধুলোয় নেমেছি, পরশুরামের কুঠার, পাতালে টেনেছে আজ। অনূদিত কাব্য- ওমর খৈয়ামের রুবাই, গালিবের কবিতা, কালিদাসের মেঘদূত, গালিবের কবিতা, লোরকার কবিতা, কহলীল জিব্রানের শ্রেষ্ঠ কবিতা, মায়াকোভ্স্কির শ্রেষ্ঠ কবিতা। উপন্যাস-কুয়োতলা, লুসি আর্মানীর হৃদয়রহস্য, দাঁড়াবার জায়গা, কিন্নর কিন্নরী ভ্রমণকাহিনী-খৈরী, আমার খৈরী, চলো তিতির সঙ্গে, জঙ্গলে পাহাড়ে, চলো বেড়িয়ে আসি -১ম ও ২য় পর্ব গল্প-হাতি ধরিয়ে নায়ার ছড়া- মিষ্টি কথায়, বিষ্টিতে নয়, বড়োর ছড়া যৌথ কাব্যগ্রন্থ-এখন রাখাল বাণীপ্রিয়র জন্য শাশ্বত স্বীকারোক্তি,১০০ বছরের শ্রেষ্ঠ নিগ্রো কবিতা
আনন্দ পুরস্কার(১৯৭৫) সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার(১৯৮২)
সাহিত্যিক পরিচিতি
শক্তি চট্টোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলার জয়নগরে এক ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।[তার মা কমলা দেবী এবং বাবা রামনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়,[৪] যিনি কলকাতার দ্য কাশিমবাজার স্কুল অব ড্রামায় পড়তেন। চার বছর বয়সে শক্তির বাবা মারা যায় এবং পিতামহ তার দেখাশোনা শুরু করেন।
১৯৪৮ সালে শক্তি কলকাতায় আসেন।
১৯৫৩ সালে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক বাণিজ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, যদিও তিনি বাণিজ্য অধ্যয়ন ছেড়ে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক অধ্যয়নের জন্যে প্রেসিডেন্সি কলেজ (বর্তমানে প্রেসিডেন্সি কলেজ, কলকাতা) ভর্তি হন, কিন্তু পরীক্ষায় উপস্থিত হননি।
১৯৫৬ সালে, শক্তিকে তার মামার বাড়ি ছেড়ে আসতে হয়েছিল এবং তিনি তার মা ও ভাইয়ের সঙ্গে উল্টোডাঙ্গায় একটি বস্তিতে চলে যান। সে সময়ে তিনি সম্পূর্ণরূপে তার ভাইয়ের স্বল্প আয়ের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। দারিদ্রের কারণে শক্তি স্নাতক পাঠ অর্ধসমাপ্ত রেখে প্রেসিডেন্সি কলেজ ত্যাগ করেন এবং সাহিত্যকে জীবিকা করার উদ্দেশ্যে উপন্যাস লেখা আরম্ভ করেন।
একসময় তিনি দোকানের সহকারী হিসেবে সাক্সবি ফার্মা লিমিটেডে কাজ করেছেন এবং পরে ভবানীপুর টিউটোরিয়াল হোমে (হ্যারিসন রোড শাখায়) শিক্ষকতা করেন। ব্যবসা করার চেষ্টাও করেছিলেন। এবং ব্যর্থ হওয়ার পর একটি মোটর কোম্পানিতে জুনিয়র এক্সিকিউটিভ হিসেবে যোগ দেন।
তিনি ১৯৭০ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় কাজ করেছেন।
১৯৬১ সালের নভেম্বরে ইশতাহার প্রকাশের মাধ্যমে যে চারজন কবিকে হাংরি আন্দোলন – এর জনক মনে করা হয় তাদের মধ্যে শক্তি চট্টোপাধ্যায় অন্যতম ।
