সুভাষ মুখোপাধ্যায়

কবিতা,ভ্রমণসাহিত্য, অর্থনীতিমূলক রচনা, বিদেশি গ্রন্থের অনুবাদ, কবিতা সম্পর্কিত আলোচনা, উপন্যাস, জীবনী, শিশু ও কিশোর সাহিত্য
কবিতা-পদাতিক (১৯৪০), অগ্নিকোণ (১৯৪৮), চিরকুট (১৯৫০), ফুল ফুটুক (১৯৫৭), যত দূরেই যাই (১৯৬২), কাল মধুমাস (১৯৬৬), এই ভাই (১৯৭১), ছেলে গেছে বনে (১৯৭২), একটু পা চালিয়ে ভাই (১৯৭৯), জল সইতে (১৯৮১), চইচই চইচই (১৯৮৩), বাঘ ডেকেছিল (১৯৮৫), যা রে কাগজের নৌকা (১৯৮৯), ধর্মের কল (১৯৯১) অনুবাদ কবিতা-নাজিম হিকমতের কবিতা (১৯৫২), দিন আসবে (১৩৭৬ বঙ্গাব্দ, নিকোলো ভাপৎসারভের কবিতা), পাবলো নেরুদার কবিতাগুচ্ছ (১৩৮০ বঙ্গাব্দ), ওলঝাস সুলেমেনভ-এর রোগা ঈগল (১৯৮১ বঙ্গাব্দ), নাজিম হিকমতের আরো কবিতা (১৩৮৬ বঙ্গাব্দ), পাবলো নেরুদার আরো কবিতা (১৩৮৭ বঙ্গাব্দ), হাফিজের কবিতা (১৯৮৬), চর্যাপদ (১৯৮৬), অমরুশতক (১৯৮৮)। ছড়া-মিউ-এর জন্য ছড়ানো ছিটানো (১৯৮০) রিপোর্টাজ ও ভ্রমণসাহিত্য-আমার বাংলা (১৯৫১), যখন যেখানে" (১৯৬০), ডাকবাংলার ডায়েরি"(১৯৬৫), নারদের ডায়েরি (১৯৬৯), যেতে যেতে দেখা (১৩৭৬ বঙ্গাব্দ), ক্ষমা নেই (১৯৭২), ভিয়েতনামে কিছুদিন (১৯৭৪), আবার ডাকবাংলার ডাকে (১৯৮১), টো টো কোম্পানী (১৯৮৪), এখন এখানে (১৯৮৬), খোলা হাতে খোলা মনে (১৯৮৭)। অর্থনৈতিক রচনা-ভূতের বেগার (১৯৫৪, কার্ল মার্ক্স রচিত ওয়েজ লেবার অ্যান্ড ক্যাপিটাল অবলম্বনে)। অনুবাদ রচনা-কত ক্ষুধা (১৯৫৩, ভবানী ভট্টাচার্যের সো মেনি হাঙ্গার্স উপন্যাসের অনুবাদ), রোজেনবার্গ-এর পত্রগুচ্ছ (১৯৫৪), ব্যাঘ্রকেতন (নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জীবন ও কর্মভিত্তিক একটি অনুবাদ), রুশ গল্প সঞ্চয়ন (১৯৬৮), ইভান দেনিসোভিচের জীবনের একদিন (১৯৬৮), ডোরাকাটার অভিসারে ১৯৬৯, (শের জঙ্গের ট্রায়াস্ট উইথ টাইগার্স অবলম্বনে), চে গেভারার ডায়রি (১৯৭৭), আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরী (১৯৮২), তমস (১৯৮৮, ভীষম সাহানীর উপন্যাসের অনুবাদ)। উপন্যাস-হাংরাস (১৯৭৩), কে কোথায় যায় (১৯৭৬), "অন্তরীপ বা হ্যানসেনের অসুখ" (১৯৮৩), "কাঁচাপাকা" (১৯৮৯), '"কমরেড, কথা কও"(১৯৯০) জীবনী-জগদীশচন্দ্র (১৯৭৮), আমাদের সবার আপন ঢোলগোবিন্দর আত্মদর্শন (১৯৮৭), ঢোলগোবিন্দের এই ছিল মনে। শিশু ও কিশোর সাহিত্য-বাঙ্গালীর ইতিহাস গ্রন্থের কিশোর সংস্করণ (১৯৫২), অক্ষরে অক্ষরে আদি পর্ব (১৯৫৪), কথার কথা (১৯৫৫), দেশবিদেশের রূপকথা (১৯৫৫), বাংলা সাহিত্যের সেকাল ও একাল (১৯৬৭), ইয়াসিনের কলকাতা (১৯৭৮)।
সাহিত্য অকাদেমী পুরস্কার (১৯৬৪ ১৯৭৭), অ্যাফ্রো-এশিয়ান লোটাস প্রাইজ; (১৯৮২) কুমারন আসান পুরস্কার (১৯৮২), সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রদত্ত মির্জো টারসান জেড পুরস্কার( ১৯৮৪), আনন্দ পুরস্কার(১৯৮৪) সোভিয়েত ল্যান্ড নেহরু পুরস্কার(১৯৮৪) ভারতীয় জ্ঞানপীঠ পুরস্কার ১৯৯২,ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মাননা সাহিত্য অকাদেমী ফেলোশিপ পান(১৯৯৬) দেশিকোত্তম- বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়(১৯৯২)
সাহিত্যিক পরিচিতি
জন্ম ও শিক্ষাজীবন
কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম অধুনা পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে মামাবাড়িতে। তার পিতার নাম ক্ষিতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, মা যামিনী দেবী। পিতা ছিলেন সরকারি আবগারি বিভাগের কর্মচারী; তার বদলির চাকরির সুবাদে কবির ছেলেবেলা কেটেছিল পূর্ব ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে। তার ছেলেবেলার প্রথম দিকটা, যখন তার বয়স তিন-চার, সে সময়টা কেটেছে কলকাতায়, ৫০ নম্বর নেবুতলা লেনে। একটা ভাড়াবাড়ির দোতলায় যৌথ পরিবারের ভিড়ের মধ্যে।[
প্রথমে নওগাঁর স্কুলে এবং পরে কলকাতার মেট্রোপলিটান ইনস্টিটিউশন ও সত্যভামা ইনস্টিটিউশনে পড়াশোনা করেন। ভবানীপুরের মিত্র স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করে সক্রিয় রাজনীতি করার মানসে কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন।
কর্মজীবন
১৯৪১ সালে স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে দর্শনে অনার্স-সহ বিএ পাস করেন। পরে আশুতোষ কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নে প্রয়াসী হন। কিন্তু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার ফলে পঠনপাঠন বেশিদূর অগ্রসর হয়নি।
সক্রিয় বাম রাজনীতির সাথে সাথে একে একে লিখে গেছেন, অনুবাদ করেছেন, মাঝে কিছুকাল সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে একযোগে সন্দেশ পত্রিকাও সম্পাদনা করেছেন তিনি।
